Home / সারাদেশ / মেহেদীর দেশি ষাঁড়, দাম ১৫ লাখ

মেহেদীর দেশি ষাঁড়, দাম ১৫ লাখ

কালো রঙের ষাঁড়টির ওজন ৩৮ মণ, বয়স সারে পাঁচ বছর। গত কুরবানির ঈদে ওজন ছিল ২৫ মণ তবে ভালো দাম না পাওয়ায় বিক্রি করেনি মালিক মেহেদী হাসান।

দেশিয় এ ষাঁড়টি কিনতে অনেকেই মালিকের বাড়ি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা উত্তরপাড়ায় ভীড় করছেন। তবে উপযুক্ত দাম না উঠায় এখনো বিক্রি হয়নি ষাঁড়টি।

মালিক ১৫ লাখ টাকা দাম হাঁকালেও ৮/৯ লাখ পর্যন্ত দাম বলেছেন ক্রেতারা। দেশিয় খাবারে লালন পালন করায় অনেকেই দূর থেকেও কেনার জন্য আসছেন তার বাড়ী।

মেহেদীর দাবি, তার ষাঁড়টিই জেলায় সবচেয়ে বড় কোরবানীর গরু। মেহেদী হাসান গৃহস্থলী কাজ করেন। শখের বশে একটি দুগ্ধ গাভী পালন করেন তিনি। দেশীয় ওই গাভী থেকে প্রায় সাড়ে ৫ বছর আগে এই ষাঁড়টির জন্ম হয়। এরপর থেকে কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার, ঘাস, খর, ভুষি আর ভাত খাইয়ে লালন পালন করেছেন ষাঁড়টি। বর্তমানে প্রতিদিন ১৬ কেজি খাবার দিতে হচ্ছে ষাঁড়টিকে।

গত কোরবানিতে এই গরুটির ওজন ছিল ২৫ মণ। ঢাকার একটি হাঁটে উঠিয়ে আশানুরুপ দাম না পেয়ে ফেরত আনেন ষাড়টি। আবার এক বছর গৃহে লালন পালন করেন ষাঁড়টি। গত বছর ষাঁড়টি ৭ লাখ টাকা দাম হলেও মেহেদীর আশা আরো বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন।

গরুর মালিক মেহেদী হাসান বলেন, এবার গরুটির ওজন হয়েছে প্রায় ৩৮মণ। প্রায় প্রতিদিনই ক্রেতারা আসছেন। অনেকে ৮-৯ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম হাকছেন। আমি ১৫ লাখ টাকা চেয়েছি। ষাঁড়টিকে প্রতিদিন ১৬ কেজি খাবার দিতে হচ্ছে। ষাঁড়টির বয়স সাড়ে পাঁচ বছর হলেও গত তিন বছর ধরে রাতে ঘুমাতে পারেননি মেহেদী। কখন কী প্রয়োজন হয় এই ভেবে রাত জেগে থাকতে হচ্ছে তাকে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশীয় খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালন-পালন করা হয়েছে। উপজেলায় এই ষাঁড়টিই সব থেকে বড়। ষাঁড়টিকে নিয়মিত দেখাশোনা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: