Home / সামাজিক মাধ্যম / আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে দীর্ঘ লাইনের অভিযোগের উত্তরে যা বললেন পরিচালক

আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে দীর্ঘ লাইনের অভিযোগের উত্তরে যা বললেন পরিচালক

গতকাল ফেসবুকে ময়মনসিংহ হেল্পলাইন নামক গ্রুপে সারওয়ার হাসান নামে একজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বহি:বিভাগে ডাক্তার দেখানোর জন্যে দীর্ঘ লাইনের বেপারে অভিযোগ করে একটি পোস্ট করেছিলেন। যেখানে তিনি সমস্যা কথা তুলে ধরেন।

ময়মনসিংহনিউজ২৪ডটকমের পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবুহু তুলে ধরা হলো-

‘ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হসপিটালে আউটডোর এর ডাক্তার দেখানোর জন্য “মহিলাদের ” টিকিট এর দুইপাশে দীর্ষ লাইন অথচ গিয়ে দেখা যায় টিকিট দেই 1 জন “” হসপিটাল এর চিকিৎসার মান অনেক ভালো হইছে “কিন্তু আউটডোর এর ডাক্তার দেখানোর টিকিট যেন দিন দিন সোনার হরিণ হয়ে যাচ্ছে।

প্রায় 2’30-3 ঘন্টা লাইনের দাড়ানোর পর ডাক্তার এর রুম এর ওখানেই থাকে দীর্ঘ লাইন”” প্রচন্ড গরমে দিশেহারা মানুষগুলো ” আশা করি কতৃপক্ষ এ সমস্যা সমাধানের দিকে সদয় দৃষ্টি দিবেন।(বি:দ্র- কারন এখানে শুধু ময়মনসিংহ শহর নয় ময়মনসিংহ জেলার সহ পাশ্ববর্তী জেলার লোকজন ও আসেন ডাক্তার দেখাতে )।’

এই পোস্টের পর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার নাসির উদ্দিন আহমেদ ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যেখানে তিনি সমস্যা ও সমাধানের কথা বলেছেন।

স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হল-
”ময়মনসিংহ মেডিকেল এর আউটডোর নিয়ে লিখা মি. সারোওয়ার হাসান। MYMENSINGH HELP LINE বক্তব্যের ব্যাখ্যা

আমি আপনাদের কস্ট উপলব্ধি করি অন্তর থেকে।প্রতিদিন নুতন পুরাতন মিলিয়ে ৬০০০(ছয় হাজার) রোগী আউট ডোরে আসেন।আমাদের সামর্থ ২০০০ রোগীর চিকিৎসা দেয়া।১৪ জন ডাকতার প্রাইভেট বেতন দিয়ে রেখেছি আউট ডোরে রোগীর চাপ সামলাতে।


৪ টি টিকেট কাউনটার।কাল থেকে আরো ৪ টি পয়েন্ট খুলতে হবে।জনবলের অভাব।আপ্নাদের১০% সার্ভিস চার্জ দিয়ে ১৪০ জন লোকের বেতন দেই।১৪ জন ডাক্তারদের বেতন দেই।চারটি আল্ট্রাসনো মেশিনে ১৩০ জনের রিপোর্ট দেয়া যায়।সনোলজিস্ট ৫০ হাজার টাকা বেতন দিয়ে রেখছি।

আমি জনবল বাড়ানোর ক্ষমতা রাখি না।বাইরে থেকে প্রাইভেট ডাক্তার নিয়োগ সম্ভবত এ হাসপাতালে প্রথম।ইনডোর ২৯০০ রোগী। আমি আর কি করতে পারি।আপনাদের গরমে কস্ট হয়।আমার কস্ট লাগে।তারপরেও চেস্টা করব আরো যেন ভাল করতে পারি।

একজন ডাক্তার ১০০জন রোগী দেখে।এটা মানবিক নয়।একজন রোগী ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়াবে এটাও অমানবিক।

আমি চেস্টা করব পরিস্থিতি সহনীয় অবস্থায় আনতে।আমকে গালি দিয়ে যদি শান্ত পান হাজারবার গালি দেন।

একবার ভাবেন ২ বছর ৯ মাসে এত বাধার মধ্যে আপনি কতটুকু করতে পারতেন।

আমরা জাতি হিসেবে খুবই অসহনশীল। ভালবাসতে ২ মিনিট লাগে না, গালি দিতে ২ মিনিট লাগে না।

আপনাদের নেতারা, সুশীল সমাজ,গন্যমান্য ব্যক্তিরা, সিভিল প্রশাসন কেন হাসপাতালের উন্নয়ন এর জন্য উপরের লেভেলে যোগাযোগ করে না।

পরিচালক”

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: